চাকরির যোগ্যতা
ব্যাপারটা বোঝ, ধর মুরগীর ঠ্যাঙ খেয়ে আমার চাকরি হয়েছে। কিন্তু আমি তো আসলেই ধৈর্যশীল নই। আমার এই চাকরি তো থাকবে না। এজন্য নতুন চাকরি লাগবে। আর তাছাড়া মুরগির ঠ্যাঙ খেয়ে চাকরি পেয়েছি, এটা ভাবতেই আমার কেমন লাগছে।
ব্যাপারটা বোঝ, ধর মুরগীর ঠ্যাঙ খেয়ে আমার চাকরি হয়েছে। কিন্তু আমি তো আসলেই ধৈর্যশীল নই। আমার এই চাকরি তো থাকবে না। এজন্য নতুন চাকরি লাগবে। আর তাছাড়া মুরগির ঠ্যাঙ খেয়ে চাকরি পেয়েছি, এটা ভাবতেই আমার কেমন লাগছে।
এই প্রথম তোর কোনো বিজনেস আইডিয়া আমার পছন্দ হলো। তবে গাছ কাটার যে ধান্দা তুই করছি, এরজন্য একটা খেজুর গাছ তোর পশ্চাৎদেশে প্রবেশ করানো উচিৎ।
আমি প্রস্থান করলাম।
ওর আসলে লজ্জার বড্ড অভাব, ব্যবসায়ী হতে হলে এই জিনিসের অভাব থাকা লাগে? জুয়েল, তুই একটা ফেরেব্বাজ!
চোর আসলে একটা ছাগল চুরি করতে চেয়েছিলো, তা আম্মুর এসব কথা শুনে ওর কী দশা হলো আমি নিজেও কল্পনা করতে পারি না। তবে আম্মু এভাবেই সবকিছু গোপন রাখেন।
ভাইজান, দেখতে বেশ স্মার্ট, বাংলার সাথে কিছু ইংরেজি শব্দের একটা দুর্দান্ত কম্বিনেশন দিয়ে ঝাড়ছেন। সব শব্দ বুঝতে না পারলেও শুনতে খুব একটা মন্দ লাগছে না। এই অবস্থায় আমারও বকা দিতে ইচ্ছে হচ্ছিলো, কিন্তু সাহসে কুলায় না। আমারটা পাশের ভাইয়া দিয়ে দিচ্ছেন, মনে মনে ডাবল থ্যাঙ্কস দিলাম। একটা থ্যাঙ্কস আমার বকাটা দিয়ে দেয়ার জন্য, আরেকটি ইংরেজিতে দেয়ার জন্য।
আমার পাশের রিকশার আরোহী ইংরেজিতে গা/লিগালাজ করছে, এটা ভাবতেই নিজেকে ক্লাসি ব্যক্তি মনে হচ্ছে। দুয়েকজন পরিচিতজনের সাথে আজকে দেখা করতেই হবে, আলাপের মাঝে একটু ভাব নিয়ে বলবো- আজকাল বাংলায় মনে মনেও ভাবতে পারি না কিছু, রাস্তায় বের হলেও পাশের রিকশার প্যাসেঞ্জার ইংলিশে বক্তব্য দেয়।
একটা কালো জিপ আমার প্রায় গাঁ ঘেষে দাড়ালো। মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো, হাঁটা থামিয়ে গাড়ির দিকে তাকিয়ে আছি। গাড়ি আর
দুপুরের খাবার খেতে ছোট্ট একটা হোটেলে গেলাম। কিছুটা ছালাদিয়া হোটেল টাইপ। অবেলায় খেতে গিয়েছি, ভীড়বাট্টা তেমন নেই বললেই চলে। কাউন্টারে
নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ধস ও বন্যা, আমার ভাবনা নেপালে পাহাড়ধসে সৃষ্ট ফ্ল্যাশফ্ল্যাডে ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। হলিউডের চলচ্চিত্রে যেসব দৃশ্য দেখে
কী দুনিয়া চুরমার করা প্রেম বান্দা আর খোদার মধ্যে হতে পারে, সেটাই কেন অনুভব করলাম তা জানি না। তবে খোদার প্রেম, খোদার ডাক, খোদার ভালোবাসা খুবই ভয়ঙ্কর। সম্ভবত এই ভয়ঙ্কর ভালোবাসা ধারণ করেন বলেই, তিনি শত অবাধ্য হওয়ার পরেও আমাকে খাবার দেন, ‘বিসমিল্লাহ’ না বললেও গলায় খাবার আঁটকে দেন না, আবোল তাবোল কথা বললেও জবান বন্ধ করে দেন না- হয়তো কোন একদিন জবান দিয়ে প্রেম মাখিয়ে ডাকবো- ‘আল্লাহ’।
দুঃখ হয়, বুড়ো সেলিমের জন্য, অন্তত এক ডজন সেলিমকে ভেতরে ধারণ করেও সে কারও কথাই এই সমাজে বলতে পারবে না, অনুভূতি জানান দিবো, সেটাও সে প্রকাশ করতে পারবে না।
সেদিন বাসায় ফেরার পথে আঁকাবাঁকা পথ ধরলাম। এটা আমার স্বভাব বলা যেতে পারে। রেল লাইন পার হলাম। আপাত দৃষ্টিতে ফাঁকা রেললাইন দেখে ইনোসেন্ট মনে হলেও, মূলত রেল লাইন বা এর সাইড দিয়ে দ্রুত চলা যায় না। বরং এই রাস্তা পথচারিকে অদৃশ্য এক শক্তি দিয়ে টেনে ধরে, ফলে পথিকের পথচলা শ্লথ হয়ে যায় মনের অজান্তেই, সময় লেগে যায় বেশি।