‘ঝৈলাক্ত’ খাবার কী?

দুপুরের খাবার খেতে ছোট্ট একটা হোটেলে গেলাম। কিছুটা ছালাদিয়া হোটেল টাইপ। অবেলায় খেতে গিয়েছি, ভীড়বাট্টা তেমন নেই বললেই চলে। কাউন্টারে ম্যানেজার মাছির সাথে চোর-পুলিশ খেলছিলো। মাঝ বয়সী ওয়েটার (মেসিয়ার) গালে হাত দিয়ে কী যেন ভাবছিলো। শিশুশ্রম দেয়া ছেলেটা দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে নুনু চুলকাচ্ছিলো। সে-ই এগিয়ে এলো অর্ডার নিতে।
ওকে কাছে ডেকে বললাম কী কী আছে?
– হাঁস, মুরগী, সবজি, গরু, খাসি, মাছ, ভর্তা
– এরমধ্যে কোনটা বেশি ঝৈলাক্ত?
– ঝৈলাক্ত আবার কী? এডি নাই।
– এইটা তুমি বুঝবা না।
ছেলেটা বিরক্তি ও কনফিউশন মাখা বদনে চলে গেলো, বসে থাকা লোকটিকে গিয়ে বললো- দ্যাহেন তো ঐ ব্যাডায় কী চায়, ঝৈলাক্ত না কি খাবার চাইতাসে।
লোকটি এগিয়ে আসলে বললাম- ঝাল কম দেয়া এমন একটা তরকারি দিয়ে ভাত দেন।
– অই যে কইলো আপনে ঝৈলাক্ত না কি চাইতাসেন!
– তেমন কিছু না, তেল থাকলে তৈলাক্ত, ঝাল থাকলে ঝৈলাক্ত। আপনাকে যেটা দিতে বলেছি ওটা দিলেই আমার চলবে।
পুরো দুনিয়া অস্থির,
দেশ অস্থির,
ঘর অস্থির,
মানুষ অস্থির,
আমি আমার পেট নিয়ে অস্থির।

Scroll to Top