সৃজনশীল মানুষ তার সৃজনশীলতায় তৃপ্ত হয়ে গেলে আর বেঁচে থাকে? এই যেমন, লেখক আর লেখক থাকে? তৃপ্তির বিষে কোন লেখকের কখনও মৃত্যু হয়েছে?
Similar Posts
Team building and its importance
Making a great team is very important to win a match. Keeping this team making process continuous is more important to make win as habit. This formula is applicable for every mega sector of society. But in this writing I will focus on business society only. If you want to maximize your wealth fairly, you…

তোফাজ্জল!
একটি খোয়াড়, যেখানে হিংস্র পশু লালন পালন করা হয়। সেই খোয়াড়ে পশু ছাড়াও কিছু মানুষ আটকে আছে, যারা পালিত পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পৃথিবীর মানুষ, তোমরা দ্যাখো, এমন নৃশংস খোয়াড় হয়তো আর কোথাও দেখবে না। যেখানে ৩৬৫ দিনই কেউ না কেউ চক্রান্ত করে, আর মানুষ নামকে কলঙ্কিত করে। যেখানে ব্যাঙ্গের ছাতার মত হাজার হাজার…

আবদুল মাজেদের নতুন বই ‘নোনা-জলের ফল্গুধারা’
আবদুল মাজেদ রচিত নতুন বই ‘নোনা-জলের ফল্গুধারা’। পাঠকেরা নতুন এই বইয়ের ঘ্রাণ নিতে প্রস্তুত। তার অবশ্য একটা খুব সহজ কারণ আছে, উনার লেখা টেইস্ট মেকার হিসেবে কাজ করে। মানে যেসব পাঠক এক বা একাধিক ঘরানার বই পড়ে অভ্যস্ত, কিন্তু পুষ্টিকর সালাদ ছাড়া যেকোন রাজকীয় খাবারই কিছুটা দীনহীন খাবার। জনাব আবদুল মাজেদের লেখা কখনও কাঁচা লঙ্কা,…

হায়ারিংএ ভোগান্তি কেন হয়? এর সমাধান কী?
হায়ারিংএ ভোগান্তি কেন হয়? এর সমাধান কী? যাই বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানই বিশেষ করে নতুন প্রতিষ্ঠান হায়ারিং বিষয়টাকে হালকাভাবে নিয়ে থাকে। ইন্ডাস্ট্রিভেদে এই হালকা ভাবে নেয়ার প্রাকটিস অনেক প্রতিষ্ঠানে চলতেই থাকে। আবার অনেকেই কয়েকবছর পর বুঝতে পারেন যে, বিষয়টাকে হালকাভাবে নেয়াটা বিরাট বোকামি হয়েছে। অনেকেই হায়ারিং বিষয়টাকে হালকাভাবে নিয়ে নিজে নিজে বা নিজেরা নিজেরাই হারারিং…
কলিগ ফ্রাঙ্ক
আমার কলিগ Frank, ওকে বললাম- ফ্রাঙ্ক, মিয়া তুমি তো ড্রাঙ্ক! ও খানিকটা হাবার মত তাকিয়ে থেকে জিজ্ঞাসা করলো- আই ডোন্ট আন্ডারস্ট্যান্ড! বললাম- বুজবা ক্যামনে, তুমি তো ড্রাঙ্ক। ও আবার বললো- হোয়্যাট ডু ইউ মিন? বললাম- মিয়া বাংলা পারো না এখনও। শিখে নাও কাজে লাগবে, নইলে বাংলাদেশে ভিসা পাবানা। তাবৎ সুন্দরী বাংলাদেশে থাকে, বাংলা না শিখলে…

মায়ের অভাব
মায়ের অভাব সেলিম হোসেন বাড়ি ছেড়েছি কুড়ি বছর হলো। বাড়ি থেকে ১০মিনিটের দূরত্ব সমান একটা বাজার আছে। যতবারই শহর থেকে বাড়ি ফিরতাম, যখনই ফিরতাম আব্বু একটা ভ্যান নিয়ে বাজারে অপেক্ষা করতেন। এখনও করেন। কখনও কখনও রাত হয়ে যেত পৌঁছাতে, দেখতাম মেজকাকাও অপেক্ষা করছেন। একসাথে গল্প করতে করতে ফিরতাম। বাড়ি পৌঁছাতে রাত কিংবা ভোর হলে দেখতাম…